প্রাইম ইনসাইটে অনলাইনে পড়ুন পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা ২০২৬। কিশোরদের সেরা অ্যাডভেঞ্চার ও গোয়েন্দা গল্প, সায়েন্স ফিকশন, কমিকস এবং খেলাধুলার সম্পূর্ণ আয়োজন।
সূচিপত্র (Table of Contents)
-
সম্পাদকীয়: শারদীয় আনন্দ ও ঐতিহ্যের সুর
-
প্রচ্ছদ নিবন্ধ: ডিজিটাল যুগে উৎসবের নতুন রঙ
-
সম্পূর্ণ কিশোর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস: কাঞ্চনজঙ্ঘার গোপন সানকি — অম্লান দত্ত
-
সম্পূর্ণ রহস্য গল্প: প্রফেটার্স পার্কের চাবি — সত্যজিৎ সেনগুপ্ত
-
সম্পূর্ণ সায়েন্স-ফিকশন গল্প: মেমরি চিপের রহস্য — দেবরাজ মুখোপাধ্যায়
-
কমিকস স্ট্রিপ: প্রফেসর নাট বল্টু ও উড়ন্ত বাইসাইকেল
-
বিশেষ স্পোর্টস ফিচার: ২০২৬ বিশ্বকাপ ও তরুণ তারকাদের নতুন রূপকথা
-
শারদীয় মগজ ধোলাই: ধাঁধা ও কুইজ ধামাকা
১. সম্পাদকীয়: শারদীয় আনন্দ ও ঐতিহ্যের সুর
প্রিয় খুদে ও পরিবারের পাঠক বন্ধুরা,
শরতের নীল আকাশ, দিগন্তজোড়া কাশের দোলা আর শিউলি ফুলের মিষ্টি সুবাস জানান দিচ্ছে দেবী দুর্গার মহিমাময় আগমনী। প্রাইম ইনসাইট (Prime Insight)-এর পক্ষ থেকে সকল তরুণ পাঠক ও তাদের পরিবারকে জানাই শারদীয়ার প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অন্তরের ভালোবাসা!
পুজোর ছুটি মানেই নতুন জামার আনন্দ, বন্ধুদের সাথে মণ্ডপ পরিক্রমা এবং অলস দুপুরে এক গাদা পূজাবার্ষিকী নিয়ে গল্পের জগতে হারিয়ে যাওয়া। আমাদের এই বিশেষ প্রকাশনা Pujabarshiki Anandamela 2026 সাজানো হয়েছে এমন সব গল্প ও ফিচার দিয়ে, যা ছোটদের পাশাপাশি পরিবারের প্রবীণ সদস্যদেরও সমান আনন্দ দেবে।
কল্পনার ডানা মেলে ধরুক আমাদের আজকের এই সংখ্যা। প্রতিটি গল্প এখানে সম্পূর্ণ তুলে ধরা হলো যাতে কোনো পাঠকের কৌতুহল মাঝপথে আটকে না যায়। সবাই আনন্দ করো, সুস্থ থাকো আর প্রচুর সুন্দর বই পড়ো!
— ইন্দ্রজিৎ, সম্পাদক, প্রাইম ইনসাইট
২. প্রচ্ছদ নিবন্ধ: ডিজিটাল যুগে উৎসবের নতুন রঙ
শরতের সকালের সেই চিরপরিচিত মহালয়ার সুর রেডিওর মাধ্যমে আজও আমাদের ঘরে ঘরে একই আবেগ সৃষ্টি করে। তবে ২০২৬ সালের শারদোৎসবে ঐতিহ্য আর আধুনিক বিজ্ঞানের এক চমৎকার মেলবন্ধন ঘটেছে।
-
এআই ও স্মার্ট মণ্ডপ দর্শন: লাইভ ক্রাউড ট্র্যাকিং অ্যাপ ও এআই ম্যাপ ব্যবহার করে দর্শনার্থীরা কম ভিড়ের সময়ে মণ্ডপ দর্শনের সুযোগ পাচ্ছেন।
-
ড্রোন শো ও ড্রোন ফটোগ্রাফি: গতানুগতিক আলোকসজ্জার পাশাপাশি এবার আন্তর্জাতিক মানের লাইট অ্যান্ড সাউন্ড ড্রোন শো প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
-
ভার্চুয়াল অঞ্জলি: প্রবাসে থাকা স্বজনরা ৪কে হাই-ডেফিনিশন প্রযুক্তি ও ভিআর হেডসেটের সাহায্যে লাইভ মণ্ডপের অঞ্জলিতে যুক্ত হতে পারছেন।
প্রযুক্তি আমাদের উৎসবকে সহজ করেছে, কিন্তু বাঙালির পুজো আড্ডা, ঢাকের শব্দ আর সাহিত্যের আনন্দকে আগের মতোই অমলিন রেখে দিয়েছে।
৩. সম্পূর্ণ কিশোর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস: কাঞ্চনজঙ্ঘার গোপন সানকি
লেখক: অম্লান দত্ত

প্রথম পরিচ্ছেদ: পাইন বনের রহস্যময় বৃদ্ধ
গ্যাংটকের পাহাড়ি হোমস্টে ‘পাইন ভিউ’-এর বারান্দায় বসে বাইনোকুলার দিয়ে তুষারাবৃত কাঞ্চনজঙ্ঘার দিকে তাকিয়ে ছিল পনেরো বছরের নীল। তার সাথে আছে তার ভাই ঋক আর তাদের অত্যন্ত বুদ্ধিমান পোষা ল্যাব্রাডর—’টাইটান’।
নীলের বাবা ড. অসীম চট্টোপাধ্যায় একজন খ্যাতনামা প্রত্নতাত্ত্বিক। তিনি সিকিমের এক প্রাচীন মনাস্ট্রি থেকে শতাব্দী প্রাচীন একটি লিপি উদ্ধার করেছেন, যাতে খোদাই করা আছে কাঞ্চনজঙ্ঘার উত্তর রুটের এক গোপন গুহা ও প্রাচীন চোগিয়াল রাজপরিবারের সিলমোহরের কথা।
“নীলদা, বাবা বলছিল কাল রাতে উত্তর সীমান্তে তুষারপাত হতে পারে,” ঋক খবরের কাগজ থেকে চোখ তুলে বলল।
নীল হাসল, “ভয় পাচ্ছিস নাকি ঋক? আমরা কাল সকালেই লাচুং হয়ে সেই মানচিত্রের চিহ্নিত জায়গায় রওনা দেব।”
হঠাৎ টাইটান কান খাড়া করে নিচু স্বরে গর্জন করল। বারান্দার পাইন গাছের ছায়া থেকে বেরিয়ে এলেন এক প্রবীণ ভুটিয়া লোক। তাঁর পরনে প্রাচীন চোগা, হাতে কাঠের লাঠি।
বৃদ্ধ নীলের চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন, “যে রত্ন পাহাড়ে লুকানো আছে, তা মানুষের লোভের জন্য নয় খোকাবাবু। যদি মন পরিষ্কার না থাকে, তবে বরফের দেবী কাউকে জীবিত ফিরতে দেন না।”
বৃদ্ধ এক মুহূর্তে পাইন বনের অন্ধকারে মিলিয়ে গেলেন। কার এই সতর্কবার্তা? তাদের যাত্রার কথা তবে কি অন্য কেউ জেনে গেছে?
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বরফের গুহায় যুদ্ধ
পরদিন ভোরে নীল, ঋক ও টাইটান মানগনের পাহাড়ি রুটে ট্র্যাকিং শুরু করল। চারপাশ বরফে ঢাকা, ঝাপসা কুয়াশা। মানচিত্র অনুযায়ী একটি ত্রিভুজ আকৃতির বরফের শিলার পেছনে গুহার মুখ থাকার কথা।
ঘণ্টা তিনেক হাঁটার পর টাইটান এক জায়গায় দাঁড়িয়ে মাটি আঁচড়াতে শুরু করল। বরফের চাঁই সরাতেই দেখা গেল এক সংকীর্ণ গুহার মুখ! টর্চ জ্বেলে নীল আগে ভেতরে ঢুকল।
গুহার ভেতর শত বছরের প্রাচীন বৌদ্ধ চিত্রকর্ম ও দেয়ালচিত্র। আর একদম শেষ প্রান্তে পাথরের বেদির ওপর রাখা এক প্রাচীন ‘সানকি’ (তামার খোদাই করা পাতলা পাত্র), যার ওপর ঝকঝক করছে লাল চুনি ও নীল কাঁচের পাথর!
হঠাৎ গুহার বাইরে থেকে বিকট শব্দে একটা বরফের চাঁই ধসে পড়ল! প্রবেশপথ সম্পূর্ণ বন্ধ!
“নীলদা! আমরা কি আটকে গেলাম?” ঋকের গলা কাঁপছিল।
নীল শান্ত থেকে চারপাশে টর্চের আলো ফেলল। গুহার ছাদ থেকে হালকা বাতাস আসছে। “টাইটান, উত্তর দিকটা দেখ!” নীলের নির্দেশে টাইটান গুহার ডান কোণে গিয়ে জোরে ডাকতে শুরু করল। সেখানে কিছু ছোট পাথর সরাতেই দেখা গেল অন্য একটি সুড়ঙ্গ, যা সোজা পাহাড়ি উপত্যকায় উন্মুক্ত হয়।
কষ্টে সুড়ঙ্গ দিয়ে বেরিয়ে আসার পর তারা দেখতে পেল সেই ভুটিয়া বৃদ্ধকে। বৃদ্ধ তাদের দেখে হাসলেন, “তোমরা রাজপরিবারের রত্ন লালসা থেকে মুক্ত হয়ে কেবল প্রকৃতির বিস্ময় দেখতে এসেছো, তাই পর্বত তোমাদের পথ দিল। এই প্রাচীন সানকি পাহাড়ের ইতিহাস, এটাকে সঠিক মিউজিয়ামে পৌঁছে দেওয়াই তোমাদের কাজ।”
নীল ও ঋক পরম শ্রদ্ধায় বৃদ্ধকে প্রণাম করল। কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফাবৃত শৃঙ্গ তখন বিকেলের সোনালী রোদে ঝলমল করে উঠেছে।
৪. সম্পূর্ণ রহস্য গল্প: প্রফেটার্স পার্কের চাবি
লেখক: সত্যজিৎ সেনগুপ্ত
উত্তর কলকাতার প্রাচীন প্রফেটার্স লেনের শেষ মাথায় অবস্থিত শতবর্ষ পুরানো লাল ইটের রাজবাড়ি। সেখানে থাকেন অবসরপ্রাপ্ত ইতিহাসের অধ্যাপক সুবিনয় রায়।
দুপুর দুটো নাগাদ সুবিনয়বাবুর বাড়িতে এসে হাজির হলো দুই স্কুলপড়ুয়া তরুণ গোয়েন্দা—অর্ক ও তার বন্ধু রিকি। সুবিনয়বাবু ভীষণ চিন্তিত মুখে তাদের বসার ঘরে বসালেন।
“অর্ক, কাল রাতে আমার স্টাডি রুমের মূল আলমারি থেকে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের আমলের একটি অমূল্য সোনার মোহর চুরি গেছে! কিন্তু তাজ্জব ব্যাপার হলো, কোনো তালা ভাঙা হয়নি, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যালার্মও বাজেনি!”
অর্ক তার পকেট থেকে আতশকাচ বের করে ঘরের বিভিন্ন প্রান্ত পরীক্ষা করতে লাগল। সে টেবিল, আলমারি এবং জানলার কাঁচ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করল। জানলার ঠিক বাইরের টবের ওপর একফোঁটা লাল মোম জমে আছে।
“সুবিনয় জ্যেঠু, গতকাল আপনার স্টাডি রুমে কে কে এসেছিলেন?” অর্ক প্রশ্ন করল।
“গতকাল বিকেলে শুধু আমার পুরানো ছাত্র ও অ্যান্টিক সংগ্রাহক সোমনাথ এসেছিল আমাকে একটি বিরল বই দেখাতে,” উত্তর দিলেন অধ্যাপক।
অর্ক একটু হেসে বলল, “রহস্য শেষ! সোমনাথবাবু আপনাকে বই দেখানোর ছলে মোম ব্যবহার করে আপনার পকেটের মূল চাবির একটি নিখুঁত মোমের ছাঁচ তৈরি করে নেন। রাতে তিনি সেই ছাঁচ থেকে নকল চাবি তৈরি করে ঘরে ঢুকে মোহরটি সরায়। তবে উনি পালানোর সময় জানলার টবে মোমের অবশিষ্টাংশ ফেলে যান।”
রিকি জিজ্ঞাসা করল, “কিন্তু মোহরটি এখন কোথায়?”
“সোমনাথবাবু ওটা এত দ্রুত বাজারে বিক্রি করতে পারবেন না। প্রফেটার্স পার্কের পেছনের প্রাচীন বটগাছের কোটরে উনি ওটা সাময়িকভাবে লুকিয়ে রেখেছেন,” অর্ক আত্মবিশ্বাসের সাথে বলল।
পুলিশ নিয়ে প্রফেটার্স পার্কে গিয়ে বটগাছের কোটর থেকে উদ্ধার করা হলো ঐতিহাসিক সোনার মোহরটি, এবং সোমনাথবাবুকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হলো। অর্ক ও রিকির বুদ্ধিমত্তায় সুবিনয়বাবু ফিরে পেলেন তাঁর সবচেয়ে অমূল্য সম্পদ।
৫. সম্পূর্ণ সায়েন্স-ফিকশন গল্প: মেমরি চিপের রহস্য
লেখক: দেবরাজ মুখোপাধ্যায়
২০৪৫ সাল। নিউ-কলকাতা শহর এখন সম্পূর্ণ অটোমেটেড ও ভাসমান ফ্লাইওভার দ্বারা যুক্ত। নয় বছরের কিশোর রৌনক তার বাবার তৈরি ল্যাবরেটরিতে খেলা করছিল। তার বাবা ড. সেনগুপ্ত একজন বিশ্বখ্যাত স্নায়ুবিজ্ঞানী।
টেবিলের ওপর পড়ে ছিল লাল রঙের একটি ছোট্ট মাইক্রোচিপ—’মেমরি ট্রান্সফার ভি-২’। কৌতুহলবশত রৌনক চিপটি তার ডিজিটাল রিস্টব্যান্ডে যুক্ত করতেই তার চোখের সামনে ভেসে উঠল এক অন্য জগত!
হঠাৎ ঘরে প্রবেশ করল দুই রহস্যময় রোবোটিক ড্রোন। ড্রোনগুলো থেকে যান্ত্রিক কণ্ঠ ভেসে এল, “চিপটি আমাদের সমর্পণ করো, অন্যথায় নিউ-কলকাতার প্রাইমারি গ্রিড ডিকানেক্ট করে দেওয়া হবে!”
রৌনক বুঝতে পারল এই চিপটিতে পুরো শহরের ইলেকট্রিক গ্রিডের মূল পাসকোড ও সুরক্ষা কোড সংসংরক্ষিত আছে। কোনো হ্যাকার গোষ্ঠী শহরকে অচল করার চক্রান্ত করছে।
রৌনক ঘাবড়ে গেল না। সে তার বাবার ল্যাবের নিউরাল-লিঙ্ক কম্পিউটার সচল করল। নিজের রিস্টব্যান্ডের মাধ্যমে সে দ্রুত চিপের ডাটা এনক্রিপ্ট করে শহরের মূল সেন্ট্রাল সার্ভারে ফায়ারওয়াল শক্তিশালী করে পাঠাল।
ঠিক তখনই ড. সেনগুপ্ত সিকিউরিটি টিম নিয়ে ঘরে ঢুকলেন। ড্রোন দুটিকে তাত্ক্ষণিকভাবে নিষ্ক্রিয় করা হলো।
ড. সেনগুপ্ত ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন, “তুমি আজ শুধু একটি চিপ নয়, পুরো শহরকে এক বিরাট সাইবার আক্রমণ থেকে বাঁচিয়ে দিলে রৌনক!”
৬. কমিকস স্ট্রিপ: প্রফেসর নাট বল্টু ও উড়ন্ত বাইসাইকেল
অঙ্কন ও সংলাপ:
[প্যানেল ১]
স্থান: প্রফেসরের ল্যাবরেটরি।
(প্রফেসর নাট বল্টু হাতে রেঞ্জ নিয়ে একটি পুরোনো সাইকেলে বিশাল রকেট বুস্টার যুক্ত করছেন। পাশে দাঁড়িয়ে খুদে সহায়ক লালু।)
লালু: প্রফেসর! সাইকেলে ওসব কী লাগাচ্ছেন? পড়ে গিয়ে হাত-পা ভাঙবেন নাকি?
প্রফেসর: চুপ কর লালু! এটা সাধারণ সাইকেল নয়, ‘অ্যারো-সাইকেল ২০২৬’! প্যাডেল করলেই আকাশে উড়বে!
[প্যানেল ২]
স্থান: খোলা মাঠ।
(প্রফেসর সাইকেলের হ্যান্ডেল ধরে সজোরে প্যাডেল করা শুরু করলেন।)
সাউন্ড এফেক্ট: ফুশশশশ! ভռռռ!
প্রফেসর: (আকাশে ভাসতে ভাসতে) হাঃ হাঃ! দেখেছিস লালু? বিজ্ঞান কাকে বলে! আমি এখন মেঘের রাজ্যে!
[প্যানেল ৩]
স্থান: মণ্ডপের পেছনের বিশাল বটগাছ।
(সাইকেলটি সোজা গিয়ে গাছের ডালপালা ও ডালে আটকে গেছে। প্রফেসরের চশমা বাঁকা, চুলে পাখির বাসা।)
লালু: (গাছের নিচ থেকে ডেকে) প্রফেসর! ওড়ার ব্রেকটা কীভাবে চাপতে হয় বললে না তো?
প্রফেসর: (মাথায় হাত দিয়ে) উফ্! ল্যাবের খাতায় ব্রেকের চ্যাপ্টারটা লিখতে যে একদম ভুলে গেছি রে লালু!
৭. বিশেষ স্পোর্টস ফিচার: ২০২৬ বিশ্বকাপ ও তরুণ তারকাদের নতুন রূপকথা
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ঘটনা। ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই মেগা টুর্নামেন্টে তরুণ ফুটবলাররা বিশ্বমঞ্চ কাঁপাচ্ছেন।
বিশ্বকাপের ৩ উদীয়মান তারা
১. লামিনে ইয়ামাল (স্পেন): ডান উইং দিয়ে তার গতি ও ড্রিবলিং বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মন্ত্রমুগ্ধ করেছে।
২. এন্ড্রিক (ব্রাজিল): ব্রাজিলের নতুন প্রজন্মের স্ট্রাইকার হিসেবে যার নির্ভুল শট ও গোল করার ক্ষমতা অসাধারণ।
৩. গারনাচো (আর্জেন্টিনা): উইং ধরে তার গতি ও আক্রমণ প্রতিপক্ষের ডিফেন্সকে ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছে।
নতুন ফুটবলারদের জন্য ফিটনেস গাইড
-
দৈনিক শৃঙ্খলা: সঠিক ঘুম, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ও নিয়মিত অনুশীলনী একজন ভালো খেলোয়াড় তৈরির মূল চাবিকাঠি।
-
দলগত মানসিকতা: একক দক্ষতার চেয়ে টিমের সাথে বোঝাপড়া ম্যাচে জয় এনে দেয়।
৮. শারদীয় মগজ ধোলাই: ধাঁধা ও কুইজ

ইন্দ্রজিৎ ‘প্রাইমইনসাইট’ (PrimeInsight)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান লেখক। কলকাতা-ভিত্তিক একজন উৎসাহী ব্লগার ও স্বতন্ত্র ভাষ্যকার হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর তীক্ষ্ণ ও বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
সঙ্গীত, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং রাজনীতি—এই ক্ষেত্রগুলোতে গভীর জ্ঞানের অধিকারী ইন্দ্রজিৎ তাঁর লেখায় সাংস্কৃতিক উপলব্ধির সাথে রাজনৈতিক বিশ্লেষণের সমন্বয় ঘটান। জাতীয় ও বৈশ্বিক ঘটনাবলির সাথে সংযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি তাঁর লেখায় কলকাতার বৌদ্ধিক ও শৈল্পিক সত্তার প্রতিফলনও ফুটে ওঠে।
